সবগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবসা-বাণিজ্য ও হাট-বাজার কৃষি বিমান ও পর্যটন সড়ক, সেতু ও পরিবহন শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মৎস্য ও প্রাণি পররাষ্ট্র স্বাস্থ্য ও পরিবার শিল্প তথ্য প্রযুক্তি ও সম্প্রচার বস্ত্র ও পাট শ্রম ও কর্মসংস্থান আইন-আদালত, বিচার ও সংসদ ভূমি স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি ধর্ম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান নৌ পরিবহন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রাণি সম্পদ যুব ও ক্রীড়া মুক্তিযোদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান জল, স্থল ও রেলপথ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় সংসদ জাতীয় বাজেট সংগঠন ও সংগঠক বেতার ও টেলিভিশন হাসপাতাল ও চিকিৎসা সাব-রেজিস্ট্রী ঔষধ মিল কারখানা ও গার্মেন্স ফ্যাক্টরি ব্যাংক, এনজিও ও বীমা সম্পাদকীয় মোবাইল কোর্ট নির্বাচন খেলাধুলা ও বিনোদন বিজ্ঞাপন মাদক ও জুয়া অন্যান্য
Website Logo
ভূমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা, ঢাকা

ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা: ৮ কোটির বেশি খতিয়ান এখন অনলাইন ডাটাবেজে, বিরোধ কমার প্রত্যাশা

​স্টাফ রিপোর্টার: দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় শুরু হওয়া ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে জমির রেকর্ড সংগ্রহ, খতিয়ান যাচাই এবং ভূমিসংক্রান্ত নানা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয়েছে এক যুগান্তকারী সম্ভাবনা। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল রেকর্ড রুমের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে এ পর্যন্ত ৮ কোটিরও বেশি খতিয়ান বা পর্চা সফলভাবে ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

​এর ফলে সাধারণ নাগরিকদের জমির রেকর্ড বা পর্চা সংগ্রহের জন্য আর বারবার ভূমি অফিসে ধরণা দিতে হচ্ছে না। এতে যেমন সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে, তেমনি দূর হচ্ছে তথ্য প্রাপ্তির দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পারভেজ হাসান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে জানিয়েছেন, দেশের সব খতিয়ান সরকারি ব্যবস্থায় অনলাইনে আপলোড করার লক্ষ্যে একটি বৃহৎ ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রত্যক্ষ সহায়তায় ১১টি উপজেলায় এই পরীক্ষামূলক (পাইলাটিং) কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

​পরবর্তী ধাপে এটি সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রকল্পটি দেশের সর্বত্র বিস্তৃত করতে একটি ক্রয় প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদন এবং পরবর্তী দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই মাঠপর্যায়ে পুরোদমে কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে আদালতগুলোতে বিচারাধীন মামলার একটি বড় অংশই জমিজমা ও সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ থেকে সৃষ্ট। প্রকল্প পরিচালক পারভেজ হাসান আশা প্রকাশ করেন, সব খতিয়ান অনলাইনে পাওয়া গেলে জমি নিয়ে মানুষের দৈনন্দিন বিরোধ অনেকাংশে কমে আসবে। নাগরিকেরা ঘরে বসেই তাদের সঠিক খতিয়ান যাচাই ও সংগ্রহ করতে পারবেন, যার ফলে জালিয়াতি এবং রেকর্ড খোঁজার নামে দপ্তরে দপ্তরে ঘোরাঘুরি বন্ধ হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, অনলাইন ভূমিসেবার আওতা প্রতিদিন বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কেবল নতুন খতিয়ানই নয়, দেশের বহু পুরোনো খতিয়ান ও ঐতিহাসিক ভূমিসংক্রান্ত নথিও ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে শতভাগ খতিয়ানের তথ্য অনলাইনে নিয়ে আসা, যাতে নাগরিকরা সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে জমির মালিকানা সংরক্ষণ ও যেকোনো ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে এই নির্ভরযোগ্য তথ্য ব্যবহার করতে পারেন।

প্রকাশিত: 05 Nov, 2026 - 10:47 AM
Logo
Thumbnail

ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা: ৮ কোটির বেশি খতিয়ান এখন অনলাইন ডাটাবেজে, বিরোধ কমার প্রত্যাশা

ভূমি *বিস্তারিত কমেন্টে প্রকাশ: 05 Nov, 2026