সবগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবসা-বাণিজ্য ও হাট-বাজার কৃষি বিমান ও পর্যটন সড়ক, সেতু ও পরিবহন শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মৎস্য ও প্রাণি পররাষ্ট্র স্বাস্থ্য ও পরিবার শিল্প তথ্য প্রযুক্তি ও সম্প্রচার বস্ত্র ও পাট শ্রম ও কর্মসংস্থান আইন-আদালত, বিচার ও সংসদ ভূমি স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি ধর্ম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান নৌ পরিবহন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রাণি সম্পদ যুব ও ক্রীড়া মুক্তিযোদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান জল, স্থল ও রেলপথ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় সংসদ জাতীয় বাজেট সংগঠন ও সংগঠক বেতার ও টেলিভিশন হাসপাতাল ও চিকিৎসা সাব-রেজিস্ট্রী ঔষধ মিল কারখানা ও গার্মেন্স ফ্যাক্টরি ব্যাংক, এনজিও ও বীমা সম্পাদকীয় মোবাইল কোর্ট নির্বাচন খেলাধুলা ও বিনোদন বিজ্ঞাপন মাদক ও জুয়া অন্যান্য
Website Logo
স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা

পাকুন্দিয়ায় নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ​বাঙালি জাতির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও টার্নিং পয়েন্ট হলো ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের এই দিনটিকে স্মরণ করে পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ সভাটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

​পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ জালাল উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুপম দাস ও পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ।

​অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ও গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা।

উপস্থিত বিশিষ্টজনদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন— ​পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও কর্মকর্তাবৃন্দ, পাকুন্দিয়া থানার পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ, ​পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, ​এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত সাধারণ মানুষ।

​অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ করা হয়। এরপর ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

​সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য বলেন— ​"১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী ও জনতা যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল, তা বিশ্ব ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আজকের এই দিনে আমাদের শপথ নিতে হবে, দেশের যেকোনো সংকটে ভেদাভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে স্থান দিতে হবে।"

​অন্যান্য বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নয়, এটি সমগ্র জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক। এই চেতনাকে ধারণ করে পাকুন্দিয়া উপজেলাকে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও জনকল্যাণমুখী মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

​আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক বিতরণের মাধ্যমে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

প্রকাশিত: 08 Nov, 2026 - 12:08 AM
Logo
Thumbnail

পাকুন্দিয়ায় নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত

স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন *বিস্তারিত কমেন্টে প্রকাশ: 08 Nov, 2026
সম্পর্কিত সংবাদগুলো দেখুন